Academy

শপথ নেওয়ার পরপরই রাজা রাধারমণকান্ত সরকারি কাজকে কতকগুলো বিভাগে ভাগ করেন এবং প্রত্যেক বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয় একজন মন্ত্রীকে। অপর রাজ্যের সঙ্গে সম্বন্দ্ব রক্ষা করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়। বিদেশি রাষ্ট্রের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য নিয়োগ করা হয় রাষ্ট্রদূত। তার কাজে সাহায্যের জন্য তিনি একজন প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। তবে তিনি সামরিক বাহিনী গঠনে মনোযোগী ছিলেন না।

সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকটিতে প্রাচীন বাংলার শাসন ব্যবস্থার পূর্ণ প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠেনি- বিশ্লেষণ করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago
Ans :

সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকটিতে প্রাচীন বাংলার শাসনব্যবস্থার পূর্ণ প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠেনি- মন্তব্যটি যথার্থ।

গুপ্ত শাসনের পূর্বে প্রাচীন বাংলার রাজ্যশাসন সম্বন্ধে সঠিক কোনো বিবরণ পাওয়া যায় না। বাংলাদেশের যে অংশ সরাসরি গুপ্তদের অধীনে ছিল তা কয়েকটি প্রশাসনিক বিভাগে বিভক্ত ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় বিভাগের নাম ছিল 'ভুক্তি'। প্রত্যেক 'ভুক্তি' কয়েকটি বিষয়ে প্রত্যেক 'বিষয়' কয়েকটি মন্ডলে প্রত্যেক 'মন্ডল' কয়েকটি বীথিতে এবং প্রত্যেক 'বীথি' কয়েকটি 'গ্রামে' বিভক্ত ছিল। অর্থাৎ গুপ্ত শাসনামলে গ্রামই ছিল সবচেয়ে ছোট শাসন বিভাগ। ছয় শতকে গুপ্ত বংশের শাসন শেষ হয়ে যায়। আট শতকের মাঝামাঝি সময়ে পাল বংশ প্রতিষ্ঠিত হয়। পাল শাসনামলে সকল প্রকার শাসনকার্যের জন্য কয়েকটি নির্দিষ্ট শাসন বিভাগ ছিল। প্রতিটি বিভাগের জন্য নির্দিষ্ট বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেয়া হতো। এ সময় কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের বিভিন্ন উৎস ছিল যার মধ্যে নানা প্রকার কর ছিল প্রধান উৎস। পাল রাজ্যে যে শাসন-পদ্ধতি প্রচলিত ছিল তা পরবর্তী সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজবংশে রাজ্যশাসনের আদর্শ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উদ্দীপকে রাজা রাধারমণকান্তের শাসনব্যবস্থায় দেখা যায় তিনি রাজ্যকে কয়েকটি বিভাগে ভাগ করেছেন। এছাড়া তার কাজে সাহায্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেছেন। তার এ শাসন ব্যবস্থা প্রাচীন বাংলার শাসন ব্যবস্থার পাল বংশের শাসন-পদ্ধতির সাথে অনেকাংশে সাদৃশ্যপূর্ণ। কিন্তু প্রাচীন বাংলার অন্যান্য শাসন ব্যবস্থার সাথে তার এ পদ্ধতির মিল পরিলক্ষিত হয় না। যেমন উপরে আলোচিত গুপ্ত বংশের শাসন পদ্ধতির সাথে তার পদ্ধতির কোনো মিল নেই।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, উদ্দীপকটিতে প্রাচীন বাংলার শাসনব্যবস্থার আংশিক চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে।

1 year ago

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা

🏛️ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা – নবম-দশম শ্রেণি | SSC | NCTB অনুমোদিত

আপনি কি খুঁজছেন “বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি PDF”, CQ/MCQ প্রশ্ন–উত্তর, কিংবা সহজ ও ব্যাখ্যাসহ পাঠ বিশ্লেষণ?

✅ SATT Academy–তে আপনি পাবেন:

  • অধ্যায়ভিত্তিক সহজ ব্যাখ্যা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
  • MCQ + CQ প্রশ্ন–উত্তর ও সাজেশন
  • ভিডিও লেকচার ও লাইভ কুইজ
  • সরকারি PDF ডাউনলোড লিংক
  • সবকিছুই বিনামূল্যে এবং পরীক্ষায় সহায়কভাবে সাজানো

📘 আলোচিত অধ্যায়সমূহ:

  • বাংলা জাতির শেকড় – প্রাচীন সভ্যতা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
  • মুঘল ও বৃটিশ শাসনকাল – উপনিবেশ ও প্রতিরোধ
  • পাকিস্তান শাসনামল ও বাঙালির জাতীয়তাবাদ
  • মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
  • স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম ও সংবিধান
  • বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতা – মেসোপটেমিয়া, মিশর, সিন্ধু, চীন
  • আধুনিক ইতিহাস ও বৈশ্বিক পরিবর্তন

✅ এখানে যা থাকছে:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের সহজ ব্যাখ্যা ও তথ্যচিত্রসহ বিশ্লেষণ
  • বোর্ড অনুযায়ী CQ ও MCQ প্রশ্ন–উত্তর ও মডেল টেস্ট
  • ভিডিও লেকচার ও চিত্রসহ অধ্যায় বিশ্লেষণ
  • PDF, ইমেজ নোট ও কুইজ ডাউনলোড
  • Live Test দিয়ে নিজের প্রস্তুতি যাচাই

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা PDF ডাউনলোড

(লিংকে ক্লিক করে সরকারি বইটি অনলাইনে পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবেন)


👨‍👩‍👧‍👦 কারা উপকৃত হবেন:

  • শিক্ষার্থী: বোর্ড পরীক্ষার জন্য সাজানো সেরা কনটেন্ট
  • শিক্ষক: ক্লাসে শেখাতে উপযোগী বিশ্লেষণ ও উদাহরণ
  • অভিভাবক: সন্তানকে ইতিহাস শেখাতে সহায়ক গাইড
  • টিউটর: প্রশ্ন তৈরি ও অনুশীলনের জন্য সঠিক উৎস

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • অধ্যায় নির্বাচন করুন
  • ব্যাখ্যা ও প্রশ্ন–উত্তর পড়ুন
  • ভিডিও দেখুন ও Live Test দিন
  • ইমেজ বা PDF ডাউনলোড করুন
  • কমেন্টে নিজের ব্যাখ্যা যুক্ত করে শিখুন ও শিখান

✨ কেন SATT Academy?

✔️ ১০০% ফ্রি, বিজ্ঞাপনবিহীন ও আপডেটেড কনটেন্ট
✔️ পরীক্ষা–উপযোগী সাজানো প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা
✔️ চিত্র, টাইমলাইন ও ভিজ্যুয়াল ব্যাখ্যা সহ শেখা আরও সহজ
✔️ মোবাইল ফ্রেন্ডলি ও দ্রুত লোডিং ওয়েবসাইট
✔️ শিক্ষার্থী–শিক্ষক–অভিভাবক সবার জন্য কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম


🔍 সার্চ-সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • বাংলাদেশের ইতিহাস নবম-দশম শ্রেণি
  • SSC History & Civilization
  • বিশ্বসভ্যতা MCQ PDF
  • বাংলাদেশ ও বিশ্ব ইতিহাস প্রশ্ন উত্তর
  • Class 9 10 Itihash PDF
  • SATT Academy History Book

🚀 আজই পড়াশোনা শুরু করুন!

ইতিহাস শুধু তথ্য নয়—এটা আমাদের পরিচয়, আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যতের পথনির্দেশক।
SATT Academy–এর মাধ্যমে ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা হয়ে উঠুক আপনার জানা ও বোঝার আনন্দময় একটি যাত্রা।

📚 SATT Academy – শেখা হোক সত্য, সুনির্দিষ্ট ও সবার জন্য উন্মুক্ত।

Content added By

Related Question

View More

সেনরা ব্রাহ্মণ থেকে পেশা পরিবর্তন করে ক্ষত্রিয় হওয়ায় তাদের ব্রহ্মক্ষত্রিয় বলা হয়। সেন বংশের লোকেরা প্রথমে ব্রাহ্মণ ছিল। কিন্তু কালক্রমে তারা পেশা পরিবর্তন করে ক্ষত্রিয় পেশা গ্রহণ করেন। ফলে কোনো কোনো ঐতিহাসিক তাদেরকে 'ব্রহ্মক্ষত্রিয়' বলেছেন।

উদ্দীপকে নবীনগরের শাসক অজয়ের কর্মকাণ্ডের সাথে সেন শাসক বিজয় সেনের কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে।

বিজয় সেনের পূর্বপুরুষদের আদি বাসস্থান ছিল সুদূর দক্ষিণাত্যের কর্ণাট। সেখান থেকে তারা বসতি স্থাপন করেন রায় অঞ্চলের গঙ্গা নদীর তীরে। বরেন্দ্র উদ্ধারে রামপালকে সাহায্য করার বিনিময়ে বিজয় সেন স্বাধীনতার স্বীকৃতি পান। এরপর তিনি তার সামরিক কৃতিত্ব দ্বারা রাজ্যসীমা বৃদ্ধি করেন এবং হুগলির ত্রিবেণীতে অবস্থিত বিজয়পুরে প্রথম রাজধানী স্থাপন করেন। ধর্মের দিক থেকে বিজয় সেন ছিলেন শৈব। অন্য ধর্মের প্রতি তার কোনো সহিষ্ণুতা ছিল না।

উদ্দীপকের অজয় তার পরিবারের-সাথে পুরোনো বাসস্থান ছেড়ে নবীনগরে নতুনভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর এলাকার লোকজন ধর্মীয় বৈষম্যের শিকার হন। এ বিষয়গুলো বিজয় সেনের কর্মকাণ্ডের সাথেই সাদৃশ্যপূর্ণ।

বিজয় সেনের বংশধরেরা শিক্ষা ও সাহিত্য বিকাশে যথেষ্ট অবদান রেখেছেন বলে আমি মনে করি।

বিজয় সেন বৈদিক ধর্মের প্রতি বেশ শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি হিন্দুধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। পরবর্তীতে তার পুত্র বল্লাল সেন অত্যন্ত সুপণ্ডিত ছিলেন। বিদ্যা ও বিদ্বানের প্রতি তার যথেষ্ট অনুরাগ ছিল। তার একটি বিরাট গ্রন্থালয় ছিল। তিনি 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। তিনি হিন্দুসমাজকে গঠন করার উদ্দেশ্যে- 'কৌলীন্য প্রথা' প্রবর্তন করেছিলেন। এর ফলে সামাজিক আচার-ব্যবহার, বিবাহ অনুষ্ঠান প্রভৃতি বিষয়ে কুলীন শ্রেণির লোকদিগকে কতকগুলো বিশেষ রীতিনীতি মেনে চলতে হতো। আর তার পুত্র লক্ষণ সেনও একজন সুপণ্ডিত ও বিদ্যোৎসাহী ছিলেন। পিতার অসমাপ্ত গ্রন্থ 'অদ্ভুতসাগর' তিনিই সমাপ্ত করেন। ধোয়ী, শরণ, জয়দেব, গোবর্ধন, উমাপতিধর প্রভৃতি প্রসিদ্ধ কবিগণ তার রাজসভা অলঙ্কৃত করতেন। ভারত প্রসিদ্ধ পণ্ডিত হলায়ুধ তার প্রধানমন্ত্রী ও ধর্মীয় প্রধান ছিলেন।

তাই বলা যায়, বিজয় সেনের বংশধরেরা যথার্থই শিক্ষা ও সাহিত্য বিকাশে অবদান রেখেছেন।

6 মাৎস্যন্যায়' বলতে কী বুঝায়? (অনুধাবন)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago

শশাংকের মৃত্যুর পর বাংলার ইতিহাসে যে দুর্যোগপূর্ণ অন্ধকারময় যুগের শুরু হয়েছিল তা মাৎস্যন্যায় হিসেবে অভিহিত। এ সময় বাংলায় কেন্দ্রীয় শাসন শক্ত হাতে ধরার মতো কেউ ছিলেন না। ফলে রাজ্যে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দেখা দেয়। ভূস্বামীরা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কল্পনায় একে অন্যের সাথে সংঘাতে মেতে ওঠে। এ সময়কালকে আখ্যায়িত করা হয়েছে 'মাৎস্যন্যায়' বলে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...