শপথ নেওয়ার পরপরই রাজা রাধারমণকান্ত সরকারি কাজকে কতকগুলো বিভাগে ভাগ করেন এবং প্রত্যেক বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয় একজন মন্ত্রীকে। অপর রাজ্যের সঙ্গে সম্বন্দ্ব রক্ষা করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়। বিদেশি রাষ্ট্রের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য নিয়োগ করা হয় রাষ্ট্রদূত। তার কাজে সাহায্যের জন্য তিনি একজন প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। তবে তিনি সামরিক বাহিনী গঠনে মনোযোগী ছিলেন না।
সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকটিতে প্রাচীন বাংলার শাসনব্যবস্থার পূর্ণ প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠেনি- মন্তব্যটি যথার্থ।
গুপ্ত শাসনের পূর্বে প্রাচীন বাংলার রাজ্যশাসন সম্বন্ধে সঠিক কোনো বিবরণ পাওয়া যায় না। বাংলাদেশের যে অংশ সরাসরি গুপ্তদের অধীনে ছিল তা কয়েকটি প্রশাসনিক বিভাগে বিভক্ত ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় বিভাগের নাম ছিল 'ভুক্তি'। প্রত্যেক 'ভুক্তি' কয়েকটি বিষয়ে প্রত্যেক 'বিষয়' কয়েকটি মন্ডলে প্রত্যেক 'মন্ডল' কয়েকটি বীথিতে এবং প্রত্যেক 'বীথি' কয়েকটি 'গ্রামে' বিভক্ত ছিল। অর্থাৎ গুপ্ত শাসনামলে গ্রামই ছিল সবচেয়ে ছোট শাসন বিভাগ। ছয় শতকে গুপ্ত বংশের শাসন শেষ হয়ে যায়। আট শতকের মাঝামাঝি সময়ে পাল বংশ প্রতিষ্ঠিত হয়। পাল শাসনামলে সকল প্রকার শাসনকার্যের জন্য কয়েকটি নির্দিষ্ট শাসন বিভাগ ছিল। প্রতিটি বিভাগের জন্য নির্দিষ্ট বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেয়া হতো। এ সময় কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের বিভিন্ন উৎস ছিল যার মধ্যে নানা প্রকার কর ছিল প্রধান উৎস। পাল রাজ্যে যে শাসন-পদ্ধতি প্রচলিত ছিল তা পরবর্তী সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজবংশে রাজ্যশাসনের আদর্শ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
উদ্দীপকে রাজা রাধারমণকান্তের শাসনব্যবস্থায় দেখা যায় তিনি রাজ্যকে কয়েকটি বিভাগে ভাগ করেছেন। এছাড়া তার কাজে সাহায্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেছেন। তার এ শাসন ব্যবস্থা প্রাচীন বাংলার শাসন ব্যবস্থার পাল বংশের শাসন-পদ্ধতির সাথে অনেকাংশে সাদৃশ্যপূর্ণ। কিন্তু প্রাচীন বাংলার অন্যান্য শাসন ব্যবস্থার সাথে তার এ পদ্ধতির মিল পরিলক্ষিত হয় না। যেমন উপরে আলোচিত গুপ্ত বংশের শাসন পদ্ধতির সাথে তার পদ্ধতির কোনো মিল নেই।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, উদ্দীপকটিতে প্রাচীন বাংলার শাসনব্যবস্থার আংশিক চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে।
আপনি কি খুঁজছেন “বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি PDF”, CQ/MCQ প্রশ্ন–উত্তর, কিংবা সহজ ও ব্যাখ্যাসহ পাঠ বিশ্লেষণ?
✅ SATT Academy–তে আপনি পাবেন:
🔗 বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা PDF ডাউনলোড
(লিংকে ক্লিক করে সরকারি বইটি অনলাইনে পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবেন)
✔️ ১০০% ফ্রি, বিজ্ঞাপনবিহীন ও আপডেটেড কনটেন্ট
✔️ পরীক্ষা–উপযোগী সাজানো প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা
✔️ চিত্র, টাইমলাইন ও ভিজ্যুয়াল ব্যাখ্যা সহ শেখা আরও সহজ
✔️ মোবাইল ফ্রেন্ডলি ও দ্রুত লোডিং ওয়েবসাইট
✔️ শিক্ষার্থী–শিক্ষক–অভিভাবক সবার জন্য কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম
ইতিহাস শুধু তথ্য নয়—এটা আমাদের পরিচয়, আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যতের পথনির্দেশক।
SATT Academy–এর মাধ্যমে ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা হয়ে উঠুক আপনার জানা ও বোঝার আনন্দময় একটি যাত্রা।
📚 SATT Academy – শেখা হোক সত্য, সুনির্দিষ্ট ও সবার জন্য উন্মুক্ত।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?